খাদ্যে ভজাল, আবহাওয়ার দূষণ আর নানাকারণে প্রতিনিয়িই আমরা কোন না কোন রোগে আক্রান্ত হচ্ছি আর সেকারণে ডাক্তারের শরনাপন্নতো হতেই হয়। কিন্তু ডাক্তারের লিখে দেয়া ওষুধ খেয়েও অনেকসময় ফলাফল পেতে দেরি হয় বা পাওয়া যায় না। হয়তো এর জন্যে ডাক্তার নন, আপনিই দায়ী। হয়তো আপনার কেনা ওষুধটি ছিলো মেয়াদোত্তীর্ণ,অথবা অন্য কোন ওষুধ। এটা কেবল রোগমুক্তিতে দেরিই ঘটায় না বরং কখনো কখনো আপনার জীবন চলে যেতে পারে হুমকির মুখে। আপনার সামান্য ভুলের কারণে প্রাণ বাঁচাবার ওষুধ কেড়ে নিতে পারে আপনার জীবনও।
ওষুধ কেনার সময় যে বিষয়গুলো খেয়াল রাখতেই হবেঃ
ওষুধের প্যাকেটের গায়ে মেয়াদকাল দেখে নিন। মেয়াদোত্তীর্ণ বা মেয়াদ শেষ হবার আর কয়েক মাস বা সপ্তাহ বাকী এ ধরনের ওষুধ কেনা থেকে বিরত থাকুন।
প্রেসক্রিপশনে যে ওষুধের নাম ডাক্তার লিখে দিয়েছেন, ঠিক সেই ওষুধটিই কিনুন। অনেক সময় দোকানি নতুন বা নিম্নমানের কোন কোম্পানির ওষুধ কমিশনের লোভে আপনাকে ধরিয়ে দিতে পারে। এক্ষেত্রে বিভ্রান্ত হবেন না।
অনেকেই শরীর দূর্বল লাগলেই নিজে থেকে ভিটামিন কিনে খেয়ে থাকেন। এটি ভুলেও করবেন না। শারীরিক দুর্বলতার অন্য অনেক কারণ থাকতে পারে। সেক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ওষুধটি খেতে হবে।
ওষুধের প্যাকেটের গায়ে দাম লেখাই থাকে। তাই দোকানিকে দাম পরিশোধ করার আগে যাচাই করে নিন।
কোন কোন ওষুধ ফ্রিজে সংরক্ষণ করতে হয় কেননা সূর্যের তাপমাত্রায় এগুলোর কার্যকারিতা কমে আসে বা নষ্ট হয়ে যায়। তাই কেনার সময় দেখুন ওষুধটি কী অবস্থায় সংরক্ষিত ছিল।
কেনার সময় খেয়াল করুন ওষুধের প্যাকেট বা পাতাটি ছেঁড়া, ফুটোযুক্ত বা খোলা কিনা। এ ধরনের কিছু হলে কিনবেন না।
প্রেসক্রিপশনে ওষুধের ব্যবহারবিধি লেখা থাকে। তবুও আরেকবার দোকানির কাছ থেকেও নিশ্চিত হয়ে নিন কখন,কয়বার,খাবার আগে না পরে ওষুধটি খাবেন।
শুধুই ডাক্তারের পরামর্শে ওষুধ কিনুন। পরিচিত, একই রোগের রোগী বা ফার্মেসির কম্পাউন্ডারের পরামর্শে কখনোই ওষুধ কিনবেন না। এতে হিতে বিপরীত হবার সম্ভবনাই বেশি। একটু সচেতন থাকলেই আমরা এড়াতে পারি নানা স্বাস্থ্যঝুঁকি। তাই সচেতন হন সুস্থ থাকুন।
Designed & Developed by TechSolutions BD